Saturday, February 8, 2020

দাঁতের যত্ন



দিনে অন্তত দু’বার দাঁত মাজুন। সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে। মনে রাখবেন রাতে দাঁত মাজার পর একমাত্র জল ছাড়া কিছু খাওয়া উচিত নয়। কারণ, খাবারের টুকরো দাঁতের গোড়ায় জমে থাকলে সেই স্থানে ব্যাকটেরিয়া ফারমেনটেশন ঘটে। তৈরি হয় অ্যাসিটিডি। তার থেকেই ক্রমশ দন্তক্ষয় অথবা দাঁতের গোড়ায় পাথর জমে সৃষ্টি হয় পায়োরিয়া।
কেমন করে ব্রাশ করবেন?
দাঁত ভাল রাখার জন্য কেমন করে দাঁত মাজবেন সেটাও জানা দরকার।  আমাদের শরীরচর্চায় যেমন কতকগুলি পদ্ধুতি, নিয়মনীতি মেনে চলতে হয়  ঠিক তেমন দাঁত মাজার সময়ও বারোটা নিয়ম আপনাকে মেনে চলতে হবে। যেমন নিচের পাটির দাঁত যখন মাজবেন তখন দাঁতের এবং মাড়ির সংযোগস্থলে ব্রাশের ব্রিসলসে সামান্য একটু চাপ দিন। এবার আস্তে আস্তে উপরের দিকে টানতে থাকুন, আবার এর উল্টো পদ্ধুতিটা প্রয়োগ করুন উপরের দাঁতগুলি মাজার সময়। ব্রাশের ব্রিসল-এ বেশি চাপ দিয়ে দাঁতের ভিতরের ও বাইরের অংশ মাজতে হবে। দাঁত ব্রাশের জন্য কখনও হার্ড ব্রাশ ব্যবহার করবেন না। আবার আঙুল দিয়ে দাঁত মাজাও ঠিক নয়। কারণ আঙুলের চাপ ব্রাশের চাপের মতো শক্ত হয় না।
দাঁত মাজতে গুল-কয়লা
দাঁতের যত্ন নিতে তেল, নুন, গুল কয়লার ছাই, নিমগাছের ডাল অথবা যে কোনও শুকনো পাউডার জাতীয় মাজন দিয়ে দাঁত মাজা একেবারে বাদ দিতে হবে। এগুলি দাঁতের দ্রুত ক্ষয় হতে সাহায্য করে।  দাঁত ভাল রাখতে নন মেডিকেটিভ ডেন্টাল পেষ্ট সব সময় ব্যবহার করা উচিত। তবে, দন্ত  বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতো কোনও ব্যাক্তিকে মেডিকেটেড টুথপেষ্ট ব্যবহার করার উপদেশ দেওয়া হয়।
দাঁতের ছোপ
অনেকেরই দাঁতে ছোপ ছোপ দাগ চোখে পড়ে। এতে দাঁতের শ্রী বলতে কিছু থাকেনা। এই ছোপ দাগ পড়ে দু’ভাবে- ইনট্রিফসিস ফ্যাক্টর এবং এক্সট্রিনসিফ ফ্যাক্টর দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত ঝরা। ফ্লু ও রাইড মিশ্রিত পানীয় জল খাওয়া, জন্ডিস-বস্তুত এসব কারণে দাঁতের উপর ছোপ ছোপ দাগ দেখা যায়। একে বলে ইনট্রিফসিস ফ্যাক্টর। অন্যদিকে চা, কফি সিগারেট, পান, সুপারি প্রভৃতি খাওয়ার ফলে দাঁতের নিজস্ব রং ও চেহারা পাল্টে যায়। দাঁতে ছোপ ছোপ দাগ পড়ে। এক্সট্রিনসিফ ফ্যাক্টরের আওতায় এগুলিকে এক্সট্রিনসিক ফ্যাক্টর বলা হয়। এই সব ছোপ দাগ তুলতে স্কেলিং পলিসিং দু’টি পদ্ধুতির মাধ্যমে দাঁত ঝকঝকে করে নেওয়া যায়। আবার অনেক সময় ব্লিচিং করে দাঁতের রং ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
আক্কেল দাঁত 
আক্কেল দাঁত বলতে আমরা মোট ৪টি দাঁতকে বুঝি। উপরের চোয়ালে যে কোনও দু’টি এবং নিচের চোয়ালে যে কোনও দু’টি। ১৮ বছর বয়স থেকে আক্কেল দাঁত ওঠার ব্যাথা হতে পারে। এর চেয়ে বেশি বয়সেও আক্কেল দাঁত উঠতে পারে। যাদের ৩২টি দাঁত ধরার জায়গা থাকে না তাদেরই আক্কেল দাঁত ওঠার সময় অসহ্য যন্ত্রণা হয়। কারণ দাঁত ঠেলে ওঠার সময় জায়গা চায়। এই ব্যাথা যে শুধু মাড়ি চোয়ালে হবে তা নয়, মুখের গ্ল্যান্ড, কান, টনসিলের জায়গা ইত্যাদিও প্রচন্ড ব্যাথা হতে পারে। গ্ল্যান্ড বীভৎস ফুলে গিয়ে জ্বর হয়। তবে, আক্কেল দাঁতের ব্যাথা একেকজনের ক্ষেত্রে একএকরকম হয়। অনেকসময় মাড়ি অপারেশন করে দাঁত ওঠার জায়গা করে দিতে হয়।
শিশুর দুধের দাঁতের যত্ন
আমাদের দাঁতের সৌন্দর্য্য বহুলাংশে নির্ভর করে দুধ দাঁতের যত্নের উপর। এ জন্য শিশুর বাবা-মার যথেষ্ট সচেতন হওয়া দরকার। কারণ দুধদাঁতের ক্যাভিটির জন্য অনেক আগেই দাঁত তুলে ফেলতে হয়। অনেক ক্ষেত্রেই নতুন দাঁত সেই জায়গায় নাও বেরোতে পারে। অথবা ভিতরে আটকেও যেতে পারে। এজন্য ছোট বয়স থেকেই দাঁতের প্রতি নজর দিতে হবে। যেমন চকোলেট বা মিষ্টি শর্করা জাতীয় কোনও খাবার খাওয়ানো উচিত নয়। কারণ এই সব খাবার দাঁতের গায়ে লেগে থেকে মাড়ির ক্ষয় রগ সৃষ্টি করে। ছোট্ট বয়স থেকে দাঁত মাজানোর অভ্যাস করানো দরকার। ছোট্ট বাচ্চার দাঁতের প্রতি গাফিলতি করবেন না। মুখের ভিতরে কোনও ঘা, দাঁতের  ছোটখাটো ইনফেকশনে অ্যান্টিসেপটিক মাউথওইয়াশ অবশ্যই উপকারী যা মাড়ি ও দাঁতের স্বাস্থ্য আংশিকভাবে রক্ষা করে। হঠাৎ দাঁতের দাঁতের ব্যাথা, স্বস্তি পাওয়ার জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। তবে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া পেইনকিলার খাওয়া উচিত নয়।  দন্ত বিশেষজ্ঞকে দিয়ে দাঁতের পরীক্ষা করানোর পর ঠিক করা উচিত দাঁতের ব্যাথায় কি করবেন। তবে, দাঁত ভালো রাখতে, নিজেই দাঁতের যত্ন নিন, অসুবিধা হলে দন্ত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

দাঁতে উপস্থিত কলাসমূহ




এছাড়াও, দাঁতের সিমেন্ট ও চোয়ালের মাঝখানে যে সূক্ষ ফাঁকা থাকে, সেখানে অগণিত অতিসূক্ষ তন্তুসদৃশ লিগামেন্ট থাকে যাকে পেরিওডন্টাল টিস্যু বলে। দাঁতকে হাড়ের সাথে সংযুক্ত রাখাই এর প্রধান কাজ।

দাঁতের যত্ন



মুখের সুস্থতা অনেকাংশেই মুখ পরিষ্কার রাখা সংক্রান্ত নিয়মিত চর্চার উপর নির্ভর করে। মুখ পরিষ্কার রাখার ফলে দাঁতের ক্ষয়রোগ, গিংগিভিটিজ, পিরিওডন্টাল রোগ, হ্যালিটোসিস বা মুখের দুর্গন্ধ এবং অন্যান্য দন্তজনিত সমস্যা থেকে ব্যক্তি রক্ষা পায়। পেশাদারী এবং ব্যক্তিগত - উভয় পর্যায়েই এ ধরনের সচেতনতা প্রয়োজন। সচেতনভাবে দাঁত ব্রাশ করার পাশাপাশি নিয়মিত দন্তচিকিৎসকের মাধ্যমে দাঁত পরিষ্কার করলে দাঁতের ক্যালকুলাস বা টারটার এবং দাঁতে অবস্থানরত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূরীভূত হয়। পেশাদারীভাবে দাঁতের পরিষ্কারের জন্য টুথ স্কেলিং করা হয়। এ পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতির প্রয়োগ দেখা যায়।
দাঁত পরিষ্কার রাখার উদ্দেশ্যই হচ্ছে দাঁতের আবরণে ও ফাঁকা জায়গায় অবস্থানরত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে দূরে রাখা।[১]
স্বাস্থ্যপরিচর্যা বিষয়ক ব্যক্তিত্ব হিসেবে দন্তচিকিৎসকগণ পরামর্শ দেন যে,
  • প্রতিদিন খাদ্য গ্রহণের পর সকালে কিংবা রাতে দু'বার নিয়মিতভাবে দাঁত ব্রাশ করতে হবে। এর ফলে দাঁতের গঠন সুন্দর এবং মজবুত হবে ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে।[২]
  • প্রতি তিন মাস অন্তর টুথব্রাশ পরিবর্তন করতে হবে। সম্ভব হলে এর আগেই টুথব্রাশ পরিবর্তন করা যেতে পারে।
  • প্রতি ছয় মাস পরপর দন্তচিকিৎসকের সুপারিশ গ্রহণ করতে হবে।
  • ফ্লুরাইডযুক্ত টুথপেস্ট বা মাউথওয়াশ ব্যবহার করা উচিত, যা দাঁতকে আরো সুরক্ষা করবে।

ওরাল এন্ড ডেন্টাল সার্জন
ডাঃ মেহেরুন নেছা
                          বি ডি এস (রাজশাহী)
               পি জি টি  (ওরাল  সার্জারী) রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
                 পি জি টি (কনজারভেটিভ এন্ড প্রিভেন্টিভ ডেন্টিস্ট্রি)
            প্রাক্তন কনসালটেন্ট  ( ডেন্টাল ইঊনিট) খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল 
                           বি এম ডি সি ৩১৬৩

রোগী দেখার সময়  প্রতি দিন ১০ টা - দুপুর ১ টা
            বিকাল ৪ টা - রাত ৮ টা
 মোবাইল ০১৮৫১৬৫৩৫৩৩, ০১৭৮৬৩৭৭৮৮১

দাঁত ব্যাথা দাঁতের রক্ত পরা ও কালো দাঁত ২ মিনিটে করে তুলুন মুক্তোর মতো সাদা

দাঁতের যত্নে আমরা অনেকেই বেশ অবহেলা করে থাকি। ছোটবেলার দাঁত ব্রাশ করতে আলসেমি করাটা অনেকেই বড় হয়েও ছাড়তে পারেন না। গবেষণায় দেখা যায় প্রায় ৫৫% পূর্ণবয়স্ক মানুষ আলসেমি করে এবং ঘুমের কারণে রাতের বেলা দাঁত ব্রাশ করেন না। ফলে দাঁতের এবং দাঁতের মাড়ির নানা সমস্যা দেখা দেয়।

দাঁতের সমস্যার মধ্যে অন্যতম সমস্যা হলো মাড়ি থেকে রক্ত পড়া। এই সমস্যা শুরু হলে অনেক চিকিৎসা করেও রেহাই পাওয়া সম্ভব হয় না যদি না আপনি নিজে থেকে সচেতন হয়ে যত্ন নেন। দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত পড়া রোধে আপনি করতে পারেন নানা কাজ। এই কাজগুলো তাৎক্ষণিক ভাবে উপশমে কাজে দেবে, এবং মাড়ির সুরক্ষাতেও কাজ করবে।


আজ আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে দাঁত ব্যাথা দাঁতের রক্ত পরা ও কালো দাঁত ২ মিনিটে করে তুলুন মুক্তোর মতো সাদা ।এটি ব্যাবহার করলে আপনার দাঁতের সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।যা যা লাগবে এই

টিপসটি তৈরি করতেঃ

১ পেস্ট


২ বেকিং সোডা
৩ লবন
৪ কফি পাউডার

এই চারটি উপাদান একত্রে মিশিয়ে আপনার দাঁতে লাগিয়ে ব্রাশ করুন।এরপর কুলি করুন।

দাত ব্যাথার কারন



১) দৈনন্দিন খাবারের কিছু অংশ দাতের ফাঁকে জমে থাকার কারনে মুখের মধ্যে থাকা  ব্যাকটেরিয়ার সংস্পর্শে তা এক প্রকার প্লাক সৃষ্টি করে। যা আস্তে আস্তে কঠিন হতে থাকে। এক পর্যায়ে দাত ব্রাশ করেও তা অপসারন করা যায় না। এতে দাতের মধ্যবর্তি স্থানে মাড়িতে প্রদাহ (Inflammation) হয়ে ফুলে যায় এবং রক্ত পড়া শুরু হয়। প্রথম যাত্রায় কম অনুভূত হলেও  ধীরে ধীরে তা অসহ্য ব্যাথার কারন হয়ে দাড়ায়।
২) দন্তক্ষয় বা ডেন্টাল ক্যারিজ এর কারণে সৃষ্ঠ রোগ, পালপাইটিস ও আক্কেল দাঁত বা উইজডম দাঁতের অসমান অবস্থানের কারণে, মুখের ভিতরের বিভিন্ন ধরণের ক্ষতের কারনে
ব্যথার কারণ হতে পারে
৩) উইজডম দাঁত বা আক্কেল দাঁতের বেপরোয়া অবস্থান বা বাঁকা অবস্থানের কারনে পাশের দাঁতের উপর চাপ সৃষ্টি করে প্রদাহ সৃষ্টি করে।
৪) রক্তশূন্যতা, হিমোফিলিয়া, পারফিউরা, ক্যানসার, এমনকি কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াতেও মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়তে দেখা যায় এবং দাতে ব্যাথা অনুভুত হয়।
৫) অপুষ্টিজনিত কারণে যেমন, ভিটামিন ‘সি’র অভাবে মাড়ি দিয়ে রক্তক্ষরণ হতে পারে। এতে দাতের গোড়া দূর্বল হয়ে পড়ে দাত নড়ে গিয়েও দাত ব্যাথার কারন হতে পারে।
৬) মায়েদের গর্ভাবস্থায় হরমোনের সমস্যাজনিত কারনে মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হতে দেখা যায় এবং ব্যথা অনুভুত হতে পারে। তবে এক্ষেত্রে তেমন সমস্যার সৃষ্টি করে না। সন্তান জন্ম নেয়ার পর বেশিরভাগই সুস্থ হয়ে যায়।
 ওরাল এন্ড ডেন্টাল সার্জন
ডাঃ মেহেরুন নেছা
বি ডি এস (রাজশাহী)
পি জি টি  (ওরাল  সার্জারী) রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
পি জি টি (কনজারভেটিভ এন্ড প্রিভেন্টিভ ডেন্টিস্ট্রি)
প্রাক্তন কনসালটেন্ট  ( ডেন্টাল ইঊনিট) খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল 
বি এম ডি সি ৩১৬৩

Wednesday, February 5, 2020

মুখের ছোট ঘা কি ক্যান্সারের রূপ নিতে পারে



মুখের ভিতরে ঘা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। পরিষ্কারের অভাবে, বা আমরা যে ব্রাশ ব্যবহার করি সেই ব্রাশের দ্বারা মুখের নরম অংশে আঘাত লেগে হতে পারে। আবার অনেক সময় দাঁতের ধারালো অংশের ক্রমাগত ঘষা লেগে ঘা হয়। বা খেতে খেতে খুব জোড়ে কামড়ে দিলে সেই অংশে ঘা হয়। আবার ক্যান্সারের মত কোন রোগের প্রাথমিক লক্ষণ হল ঘা।

মুখের ঘা যদি সহজে না সারে, তাহলে সেটি ক্যান্সারের আকার নিতে পারে। এই ক্যান্সার ঠোঁট, মাড়ি, জিভ, ও গালের ওপরের বা নীচের অংশে হতে পারে। বেশিরভাগই ঠোঁটের নীচের অংশে হয়। কিন্তু কিভাবে বুঝবেন! যে কিভাবে মুখের ঘা ধীরে ধীরে ক্যান্সারের রূপ নিতে পারে।
তাই সে ক্ষেত্রে  ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে ।       
 ওরাল এন্ড ডেন্টাল সার্জন
ডাঃ মেহেরুন নেছা
বি ডি এস (রাজশাহী)
পি জি টি  (ওরাল  সার্জারী) রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
পি জি টি (কনজারভেটিভ এন্ড প্রিভেন্টিভ ডেন্টিস্ট্রি)
প্রাক্তন কনসালটেন্ট  ( ডেন্টাল ইঊনিট) খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল 
বি এম ডি সি ৩১৬৩

মুখে খুব দুর্গন্ধ? এই গুলি মেনে চলুন দূর হবে মুখের দুর্গন্ধ


নুর জাহান্ন ডেন্টাল


আজকাল মাড়ির সমস্যাটা সবাইকেই ভোগায় প্রায়। কেউ বলেন, আবার কেউ বলতে চান না। মুখে খুব দুর্গন্ধ হচ্ছে বলে প্রাণ খুলে হাসতেও পারেন না। কথা বলতে গিয়েও সাবধানে কথা বলেন, পাছে লোকে নিন্দেমন্দ না করে। খেতে বসেও শান্তি নেই, বেছে বেছে খাওয়া বাইরে বেরলো। মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলছেন, মুখে বেশি গন্ধ হচ্ছে বলে। রোজ সকালে আয়নায় দেখেন দিনদিন আপনার দাঁত হলুদ হয়েই চলেছে। কিছুতেই দাঁত আর সাদা হচ্ছে না। মুখ চেপে মৃদু হাসি হাসার এটাও একটা কারণ আপনার। জানেন, আসলে মাড়ির অসুখে ভুগছেন আপনি। আর নিজের অবহলাতেই আরও বাড়িয়ে তুলছেন এটাকে। অত্যাধিক ব্যস্ত হওয়ায় দাঁতের ডাক্তার দেখাতে পারছেন না তো কি হয়েছে, ঘরে বসে সামান্য সময় খরচ করলেও আপনার মাড়ি আবার আগের মতো সুস্থ হয়ে উঠতে পারে।

 ওরাল এন্ড ডেন্টাল সার্জন
ডাঃ মেহেরুন নেছা
বি ডি এস (রাজশাহী)
পি জি টি  (ওরাল  সার্জারী) রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
পি জি টি (কনজারভেটিভ এন্ড প্রিভেন্টিভ ডেন্টিস্ট্রি)
প্রাক্তন কনসালটেন্ট  ( ডেন্টাল ইঊনিট) খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল 
বি এম ডি সি ৩১৬৩